বাংলায় ১০০ দিনের কাজের টাকা বন্ধ কেন , মোদী সরকার কাছে রিপোর্ট তলব হাইকোর্ট
বাংলায় ১০০ দিনের কাজের টাকা বেশ কয়েক মাস ধরে বন্ধ। তা নিয়ে অভিযোগ ও পাল্টা অভিযোগের মধ্যে রাজনীতির পারদ চড়া দাগেই রয়েছে। তার মধ্যেই একটি জনস্বার্থ মামলার শুনানির পরে মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্ট টাকা বন্ধের কারণ জানতে চেয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে রিপোর্ট তলব করল।
আদালত এদিন স্পষ্ট বলেছে, কেন্দ্রকে গোটা বিষয়টা যথাযথভাবে তদন্ত করে দেখতে হবে। এই প্রকল্পের সঙ্গে যুক্তরা যাতে বঞ্চিত না হন তাও কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদী সরকারকে নিশ্চিত করার নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট।১০০ দিনের কাজ মানে গ্রামীণ জনতার কর্মসংস্থানের বিষয়। গোড়া থেকেই রাজ্য সরকার তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই বিষয়টি নিয়ে সরব। নবান্ন এবং তৃণমূল কংগ্রেসের বক্তব্য, কোথাও যদি অনিয়ম হয় তার তদন্ত করে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিক কেন্দ্র। কিন্তু সবার টাকা আটকে রাখবে কেন? এ তো গ্রামবাংলার মানুষের ভাতের থালায় লাথি মারা হচ্ছে। তাছাড়া কাজ করানোর পরেও মজুরি আটকে রাখা হয়েছে বলে দিল্লির বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজ্যের।এদিন সময় বেঁধে দিয়ে হাইকোর্ট বলেছে, ২০ জুনের মধ্যে কেন্দ্রকে এ ব্যাপারে রিপোর্ট দিতে হবে। তারপর আরও এক সপ্তাহ সময় পাবে রাজ্য। তাদের যদি কিছু বলার থাকে তাহলে ওই সময়ের মধ্যে নবান্ন তা জানাতে পারবে। জুলাই মাসে ফের এই মামলার শুনানি হবে হাইকোর্টে।প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম ও বিচারপতি হীরন্ময় ভট্টাচার্যের বেঞ্চ বলেছে, রাজ্য সরকার যে রিপোর্ট দিয়েছিল কেন্দ্রকে সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রক কী পদক্ষেপ করেছে তাও জানাতে হবে।খেতমজুর কমিটি এই মামলা করেছিল হাইকোর্টে। রাজ্যের তরফে এদিন বলা হয়, ২০২১ সাল থেকে রেগার টাকা বন্ধ করে রেখেছে দিল্লি। পাল্টা অতিরিক্ত সলিসিটর জেনারেল বলেন, এই প্রকল্পের টাকা লুঠ হয়েছে। ভুয়ো জব কার্ড করে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে। এখন দেখার কী রিপোর্ট দেয় কেন্দ্র

Comments
Post a Comment